শেখ শোভন আহমেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো অধিকাংশ সময়ই বন্ধ থাকে, দেখার কেউ নেই! ফলে অসচ্ছল ও নিম্নবিত্তরা চিকিৎসা সেবা থেকে প্রতিনিয়তই বঞ্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের সফল চেষ্টায় যখন ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে যাচ্ছে, ঠিক তখনই এক শ্রেণীর সরকারি চাকুরে ক্লিনিকে চাকুরী করার সুবিধার্থে সরকারের দূর্নাম করার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হামিরহাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে সরেজমিনে গেলে বের হয়ে আসে জঘন্যতম তথ্য। অধিকাংশ দিনই হামিরহাটি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকে, যদি খোলা থাকে ক্লিনিক তবে সর্বোচ্চ ১১-১২ পর্যন্ত, যেখানে কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো খোলা থাকার নিয়ম সকাল ৯.০০ থেকে বিকাল ৩.০০ টা পর্যন্ত।
স্থানীয়দের অভিযোগ হামিরহাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে মোঃ আশরাফুল ইসলাম (সি,এইচ,সি,পি) আসার পর আমাদের কোন ঔষধ দেয় না, ঔষধ আনতে খেলে বলে ঔষধ কিনে খেতে কি হয়!
স্থানীয় কয়েকজন মহিলা সংবাদ কর্মীদের দেখে অভিযোগ করে বলেন কি বলবো ভাই আমরা ক্লিনিকে ঔষধ আনতে গেলে যা ইচ্ছে তাই বলে আশরাফুল ওরফে (তোতা), আমরা ঔষধ আনতে গেলেই বলে ঔষধ কিনে খেতে কি হয়! হামিরহাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরত মোঃ আশরাফুল ইসলাম (সি,এইচ,সি,পি) এর কাছে ক্লিনিক বন্ধ কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ১২.০০ টার পর ক্লিনিক বন্ধ করেছি, এখন আমি বাড়িতে আছি।
এ বিষয়ে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ জামিরুল রশিদ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি আমি অবগত হলাম, অবশ্যই তদন্ত পূূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।