স্টাফ রিপোর্টার,

ভাই ওনি যেভাবে চলাফেরা করেন তাতে মনে হয় তিনি আমাদের মতোই সাধারণ মানুষ। তিনি যে একজন পুলিশ অফিসার তার আচার আচরণে বোঝার উপায় নেই। তার আচরণ অত্যান্ত নম্র ও ভদ্র। ওনার মত সৎ মানুষ আমি পুলিশ অফিসার হিসেবে দেখি নাই” সাধারণ মানুষের মুখে এসআই ইমরান খানকে নিয়ে এমন কথা প্রায় সময় শুনতে পাওয়া যায়। কিছু অসৎ পুলিশের কারণে বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার চিত্র যেমন প্রায় সময় পত্রপত্রিকার মাধ্যমে উঠে আসতে দেখা যায়। তেমন এসআই ইমরান খানের মত কিছ সৎ পুলিশ অফিসারের কারণে পুলিশের ক্ষুন্ন হওয়া সুনাম ফিরে আসার পাশাপাশি পুলিশের সুনাম অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানায় কর্মরত এসআই ইমরান খানের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক জণসেবামূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তার প্রসংশা করছেন সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। এমনকি এসআই ইমরান খানের কর্মদক্ষতারও প্রসংশা করেছেন এ উপজেলার মানুষ। একজন রিকশা চালক বা একজন দিন মজুর থানা পুলিশের কাছ থেকে সন্তোষজনক সেবা বা আচরণ প্রত্যাশা করতে না পারলেও সিরাজদিখান থানার এসআই ইমরান খানের কাছ থেকে অনেকেই তা পেয়েছেন। এছাড়া রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ স্থানীয় জনসাধারণের মুখে এসআই ইমরান খানের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক জণসেবামূলক নানা কার্যক্রমের সুনামও রয়েছে বেশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই ইমরান খান ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার খাকান্দা গ্রামে একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ইমরানের পিতা মোঃ বাবুল খান একজন ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে ছেলেকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার পাশাপাশি মানুষের সেবা করা লক্ষ্যে পুলিশে চাকুরীর জন্য ছেলেকে উৎসাহ যুগিয়েছেন। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে ট্রেনিং সমাপ্ত করে ২০১৯ সালের জানুয়ারির ২৮ তারিখে মুন্সীগঞ্জ জেলায় শিক্ষানবিশ এস আই হিসেবে যোগদান করেন। শিক্ষান বিশকাল শেষে ২০২০ সালের ৩০শে জানুয়ারী সিরাজদিখান থানায় যোগদান করেন। তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকে নানা অপরাধ দমনে আপোষহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন। সিরাদিখান থানার ওসি কেএম মিজানুল হকের নির্দেশে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ উল্লেখযোগ্য পরিমানে কমিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া এসআই ইমরানের নেতৃত্বে ও সচেষ্ট ভুমিকায় স্থানীয় অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জনসাধারণের জান ও মালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এসআই ইমরান খান শুধু প্রাতিষ্ঠানিক দায়ীত্ব পালন করেননি বরং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বও পালন করে আসছেন। তিনি এ থানায় প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি সময় ধরে কর্মরত আছেন। আর এ অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সততা ও নিষ্ঠা এবং কর্মদক্ষতার সাথে জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উপজেলার মানুষ কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠার পামাপাশি আস্থার প্রতিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, দলীয় নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠন, সুশীল সমাজ ও স্থানীয় নানা স্তরের জনসাধারণ এসআই ইমরান খানের জণসেবামূলক, কার্যক্রমের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।