মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে নদীর পাড় বালু জমিতে রবি মৌসুমে সল্প মেয়াদি শাক সবজি চাষ হচ্ছে কৃষকরা। নদীর পানি চলে গেছে বারতি জমি ছাড়াও এ পরিতেক্ত জায়গাতে পুই শাক,ডাটা, ধনে পাতা চাষ করছেন। এই উৎপাদিত ফসল যেমন কৃষক লাভবান হচ্ছে পাশাপাশি দেশের উন্নয় হচ্ছে। আর বালুতে কৃষকদের সমস্যা হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে নদীর পানি কাছাকাছি হওয়ায় পাম মেসিন লাগছে না সেচ দিতে পাড়ছে দুএকদিন পর পর। এতে খরচ কম হচ্ছে অন্য দিকে লাভবান হচ্ছে বেশি কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের নাটেশ্বর গ্রামের নদীর পাড়ে বালু জমিতে যেন সবুজের হাসি বিরাজ করছে। কেউ ক্ষেতে সবজির চারা আগাছা পরিস্কার করছে। আবার কেউ চারায় পানি দিচ্ছেন। অনেকে ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করছেন। কেউ কেউ নতুন করে আবাদের জমি প্রস্তুত করছেন। আবার বিভিন্ন জাতের চারা উৎপাদনেও ব্যস্ত অনেক চাষি। সব মিলিয়ে বিভিন্ন জাতের সবজিতে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ।

উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামের আওয়াল শেখ বলেন, উপসহকারী কৃষি অফিসারের পরামর্শে আমরা এই নদীর পাড়ে বালুর জমিতে চাষাবাদ করি। এ নদীর পাড়ে মাটি অত্যন্ত উর্বর। নদীর কাছে থাকায় পানির অভাব পড়ে না। এই স্থানে শাক সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছি।

আরেক জন সবজি চাষি আলমগীর হোসেন জানান, নদীর পাড়ের নিচু জায়গায় ভালো ফসল হয়।একদিকে উর্বর মাটি অন্যদিকে সেচ কাজে নদীর পানি ব্যবহার করা যায়। সে কারণে নদীর পাড়ে সবজি চাষ করে বারতি ফলন পাওয়া যায় এবং এই স্থানে চাষ না করলে পতিতই পড়ে থাকতো।

উপজেলার নাটেশ্বর ব্লকের উপ সহকারি কৃষি অফিসার মমতাজ মহল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এক ইঞ্চি জায়গা খালি থাকবে না। এতে করে কৃষকরা এই নদীর পাড়ে বালু জমিতে ভালো ফলন চাষ করতে পারেন। সে হিসেবেই আমরা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করিয়ে ফসল চাষ করানো হচ্ছে। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছেন সবজিতে দেশ।