স্টাফ রিপোর্টার,

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ৭ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার বিকাল অনুমান ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় উপজেলার কোলা ইউনিয়নের নন্দনকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লম্পট ইব্রাহীম শেখ (৫৫) পলাতক রয়েছে। সে নন্দনকোনা গ্রামের মৃত-ওমর আলী শেখের ছেলে। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে সুষ্ঠ বিচার পেতে সার্বিক সাহায্য সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পারিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকাল ৬টার ভিকটিম কন্যা শিশু তার ছোট ভাইকে নিয়ে নানী বাড়ীর সংলগ্ন নন্দনকোনা বাজারের একটি দোকানে বাদাম কেনার জন্য যায়। পরে দোকান থেকে বাদাম কিনে ছোট ভাই একা ফিরৎ আসলে তার কাছে বোন (০৭) কোথায় প্রশ্ন করলে ছোট সে জানায় ইব্রাহীম শেখ তার বোনকে ধরে বাড়িতে নিয়ে গেছে৷ পরে ভিকটিমের নানী কোলা ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জাকিয়া বেগম সহ স্থানীয়রা কণ্যা শিশুকে (০৭) কে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের মারমুখী আচরন দেখে লম্পট ইব্রাহীম শেখ কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম কণ্যা শিশুর মা বেলী আক্তার সিরাজদিখান থানায় অভিযুক্ত ইব্রাহীম শেখকে আসামী করে লিখিতি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয়রা জানায়, লম্পট ইব্রাহীম শেখ এর আগেও কয়েক বছর পূর্বে একই এলাকার একটি কণ্যা শিশুকে ধর্ষণ করে। তিন্তু সে সময় ধর্ষনের বিষয়টি পারিবারিক ভাবে আপোষ মিমাংসা করে ধামাচাপা দেওয়ায় প্রকাশ পায়নি।ভিকটিম কন্যা শিশুর মা বেলি আক্তার বলেন, আমি কয়দিন আগে আমার বাবা বাড়ি নন্দনকোনা বেড়াতে আসি। সে আমার মেয়েটার যে এ অবস্থা করেছে আমি তার ফাঁসি চাই। যাতে এমন ঘটনা আর কারো সাথে না ঘটে। কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচএম সাইফুল ইসলাম মিন্টু মুঠোফোনে বলেন, এর আগেও ইব্রাহীম শেখ এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। সে সময় তার বিচার না হওয়ায় আজ আবারও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো বলে আমি মনে করি। এটি খুমি জঘন্যতম কাজ আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনের আওতায় আনার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।সিরাজদিখান থানার ওসি কেএম মিজানুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।