আরিফ হোসেন হারিছ সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ছাতীয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে ভোটার তালিকায় পরিকল্পিতভাবে এক অভিভাবকের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে সিরাজদিখনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়টির ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিবাবক মো. রিপন শেখ।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার কোলা ইউনিয়নে অবস্থীত ছাতীয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখার জন্য ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া হয়েছে আকরাম আলী শেখের ছেলে রিপন শেখের।
তিনি বলেন, তার দুটি ছেলে মো. তাওহীদ শেখ ও লিখন শেখ ছাতীয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্র। ৯ম শ্রেনিতে পরুয়া তাওহীদের রোল নং ৫ এবং দশ শ্রেনির ছাত্র লিখন শেখের রোল নং-৪। আমি তাদের অভিবাবক হওয়া স্বত্বেও আমার নামটি ভোটার তালিকায় পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননি। আসলে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে যাতে আমি অংশ গ্রহণ করতে না পারি সে জন্য এ কাজটি করা হয়েছে। আমি একজন অবসর প্রাপ্ত সেনাবাহিনী সদস্য, স্থানীয় অভিবাবকগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে নির্বাচন করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন। ভোটার তালিকায় আমার নাম না থাকার কারণে আমি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করিতে পারিতেছি না। এতে আমার মান সম্মানের উপর আঘাত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোটার তালিকায় ২জন মৃত ভোটের নাম ও রয়েছে যার ভোটার নাম্বার
আমি চাই নির্বাচন স্থগিত ও ভোটার তালিকা সংশোধন করে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, আমের নিয়মমাফিক সম্পন্ন ভোটার তালিকা প্রণয়ন করেছি। নোটিশ বোর্ডের নোটিশ করেছিলাম তার মাঝে কেউ কোন সংশোধন করতে আসেনি। বিধিমতো চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এখানে আর কোনকিছু সংশোধন করার সুযোগ নেই। ভোটার তালিকায় মৃত ভোটার এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু জানায়নি জানালে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী আব্দুল ওয়াহিদ মো. সালেহ বলেন, নির্বচন সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব। তবে মৃত ভোটার বা শিক্ষকের বিষয়ে কোনো অভিযোগ করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

এবিষয়ে জানতে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খোকন মিয়াকে একাধিকবার কল করা হলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলেছি।

আপনার মতামত দিন