আরিফ হোসেন হারিছ সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রামের আওতাধীন ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন ব্রুনাই হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান। গত শুক্রবার ১৭ জুন বিকল ৫ ঘটিকায় বিগত ১১ বছর যাবত ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে পরে থাকা চান্দের চর গ্রাম সহ আশেপাশে বসবাসরত ১৫ হাজার মানুষের জমিজমা ভেঙ্গে ক্রমাগত ধলেশ্বরী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া চান্দের চর এলাকায় পরিদর্শনে আসেন ব্রুনাই হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাসকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স ব্রুনাই দারুসালামের সভাপতি মোহাম্মদ লিয়াকত সরকার।

এ সময় ভাঙ্গনকবলিত ধলেশ্বরী নদী তীরে দাঁড়িয়ে বিগত ১১ বছর যাবত তিন ফসলি জমি ভেঙ্গে ধলেশ্বরী নদীতে বিলীন হয়ে নদী যে কতটা ভয়ানক হয়েছে সে গুলো পর্যবেক্ষণ করেন ব্রুনাই হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান এছাড়া স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথাও বলেন তিনি।

জানাযায় সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর ও আশেপাশের গ্রাম সহ ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনের কবলে পরে আছে বিগত ১১ বছর ধরে। আর মাত্র ১শ মিটারেরও কম ভাঙ্গলে অত্র এলাকার বাড়ি ঘর, স্কুল, মসজিদ, হাট বাজার ভাঙ্গনের কবলে পরবে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, নদী ভাঙ্গনের কবলে রয়েছে এ এলাকায় বসবাসরত ১৫ হাজার মানুষ। এখানে ১৫টি মসজিদ রয়েছে ১৩টি মসজিদ জুম্মার নামাজ হয়। ২টি মাদরাসা খাসকান্দী দাখিল মদরাসা ও মদিনা পাড়া কওমী মাদরাসা, ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। চান্দের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব চান্দের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কমিউনিটি ক্লিনিক একটি। ৩টি পাকা ব্রীজ। ২টি ঈদগাহ ময়দান, এই ইউনিয়নের সবচয় বড় ঈদগাহ ময়দান ও কবর স্থান রয়েছে এখানে। নৌকা ঘাট ৩টি ও ছোট বাজার রয়েছে ৩টি। এখন থেকে ভাঙ্গন রোধ না করলে এসব অঞ্চল বিলীন হতে পারে অচিরই বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত দিন