আরিফ হোসেন হারিছ সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা আহত ২জন। গত মঙ্গলবার রাত ১০ টায় উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের পশ্চিম ব্রজেরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহতরা হলেন পশ্চিম ব্রজেরহাটি গ্রামের তাইজুল ইসলাম টগর ও তার শ্যালক মহসিন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আহতের স্ত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচনে সমর্থন নিয়ে মোঃ তাইজুল ইসলাম টগর এর সাথে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল মিয়া ও মোঃ সোহেল মৃধার বিরোধের সুত্রপাত শুরু হয় যা এখন পর্যন্ত চলমান। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তাইজুল ইসলাম টগরকে সমাজ থেকে একঘরে করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং মসজিদে যেতে নিষেধ করেন তারা। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলামকে জানালে চেয়ারম্যান তাদের একটি নোটিশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলেন। সে নোটিশ তাদের হাতে পৌছানো কেন্দ্র করে তাইজুল ইসলাম টগর তারাবী নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে গেলে সেখান থেকে বের করে মোঃ দুলাল মিয়া ও মোঃ সোহেল মৃধাসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে থাকা দেশীয় অস্র নিয়ে তার উপর হামলা করেন। তাদের হাত থেকে বাচাতে তার শ্যালক এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করা হয়। এবিষয়ে তাইজুল ইসলাম টগর এর স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে ১৩ জনকে বিবাদী করে সিরাজদিখান একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেব হলেন, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল মিয়া(৪৫),মোঃ সোহেল মৃধা(৪০),মোঃ মহিউদ্দিন মৃধা(৪৩),মোঃ হারুন মৃধা(৫০),সাইদুল মৃধা(৩৫),মোঃ বাধন (২২),মোঃ মিসু (৩০),হুমায়ুন (৫০), সৈকত(২২),নাজমুল মৃধা(২৪), ইভান(২৪), মোঃ বোরহান।

সোহেল মৃধা বলেন, আমি বনানিতে রক্ত দিয়ে এসে নিজেই অসুস্থ ছিলাম। আমি কোন মারামারি করি নাই। মারামারি হয়েছে তার খবর শুনেছিলাম।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজগর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।