আরিফ হোসেন হারিছ সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে মারামারি, ভাংচুর, লুটপাট সহ একাধিক মামলার আসামী মো: স্বপন মিয়া (৪১) কে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশের এসআই মোহাম্মদ ইমরান খান ।

শুক্রবার ৩০ জুলাই রাত ৯ টায় সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন এর দিকনির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ ইমরান খান সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের কয়রাখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত স্বপন মিয়া উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে।

গত (১১ জুলাই ) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে সিরাজদিখান থানার ১২ জুলাই ২০২১ ইং মামলা নং ৮/১৭১ এর বাদীর স্বামী, ও ভাতিজি জামাই আ: মোহায়মিনকে পুর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিত ভাবে পথিমধ্যে আসামীগন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারিলে বাদীর স্বামী হাত দিয়ে ফিরাইলে হাতে আঙুল কাটিয়া পরিয়া যায়।পুনরায় আসামীগন হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় কুপ মারিলে মাথায় লাগিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। আসামীগন একই কায়দায় বাদীর ভাতিজি জামাইকে হত্যা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে লোহার রড ও রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।পরে আসামীগন বাদীর চাচা শশুর গিয়াসউদ্দিন বাড়িতে ডুকিয়া আসবাবপত্র ভাংচুর করিয়া বাদীর জা সালমা বেগমের উপর হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে। আহতদের ডাকে চিৎকারে আশেপাশে লোকজন আগাইয়া আসিলে আসামীগন বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি সহ আবারো সুযোগ পেলে হত্যা করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বাদী পরে আত্মীয় স্বজনের সাথে সলাপরামর্শ করে সিরাজদিখান মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় মারামারি ভাংচুর লুটপাটের একাধিক মামলা রয়েছে।

এই বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজদিখান থানার এসআই মোহাম্মদ ইমরান খান জানান, স্বপনের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর হতেই সে পলাতক ছিল। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কয়রাখোলায় তার শশুর বাড়ী থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।

সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, বালুচর ইউনিয়নের কয়রাখোলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় মামলা রুজু হওয়ায় আমরা মামলার এজাহার নামীয় আসামি স্বপনকে গ্রেফতার করেছি। ইতিপূর্বে স্বপনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালেও একটি মামলা হয়েছিল। মারামারি ও নাশকতায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানা পুলিশ সব সময়ই কঠোর অবস্থানে থাকবে।