স্টাফ রিপোর্টার,

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় গভীর রাতে ২ বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাত দল স্বর্ণালংকার, মোবাইল সেটসহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার চিত্রকোর্ট ইউনিয়নের কালিপুর সরকার বাড়ী এবং রাজানগর ইউনিয়নের বাঐখোলা গ্রামের ২ টি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ওই ডাকাতির ঘটনাটি সংঘটিত হয়।জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চিত্রকোর্ট ইউনিয়নের কালিপুর সরকারীর গ্রামের হাজী মো.হাসমত খানের বসত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে ৫/৭ অস্ত্রে সজ্জিত ডাকাত দল।এ সময় হাসমত খানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মেয়ের হাত-পা বেধে ৪ ভরি স্বর্ন,৪ টি মোবাইল সেট,এবং নগদ লক্ষাধিক টাকা লট করে পালিয়ে যায়। সত্যতা স্বীকার করে হাজী মো.হাসমত খান বলেন,‘ ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে আমাকে প্রথমে জিম্মি করে এর পর মোবাইল,স্বর্ণালংকার,নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।’ একই রাতে রাজানগর ইউনিয়নের বাঐখোলা গ্রামের আব্দুস সামাদ মাষ্টারের বাড়ীতে হানা দেয় ডাকাত দল । এ সময়ে অস্ত্রে সজ্জিত ডাকাত দলটি সামাদ মাষ্টারের স্ত্রী এবং ছেলের বউয়ের গলার চেইন ও কানের দোল লুট করে নেয় । সামাদ মাষ্টারের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,পিস্তল ও রামদাসহ ৬/৭ জন ডাকাত দল আমাদের বাড়ীতে হানা দেয় তবে দুই ভরির মত স্বর্ন নিয়েছে । আমার ডাক চিৎকারে ডাকাত দল পালিয়ে যায় । এ ছাড়া ২০১৮ সালেও আমাদের বাড়ীতে একবার ডাকাতি হয়েছিল । চিত্রকোট ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হুদা বাবুল ও রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান ডাকাতির ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করেছেন । এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানার ওসি(তদন্ত) মো.আজগর হোসেন বলেন,ডাকাতি হয়নি তবে চুরি হয়েছে এরকম ঘটনা আমি শুনেছি।