স্টাফ রিপোর্টার:: 

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে তিন ফসলী জমি ভরাটের  অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এতে করে ফসল উৎপাদন  নিয়ে হুমকিতে পরেছে ওই এলাকার ফসলী জমির মালিক। নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করে চলছে তিন ফসলী জমি ভরাট বাণিজ্য। প্রশাসনের নাকের ডগায় একর্মযজ্ঞ চললেও দেখার কেউ নেই।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায, উপজেলা কোলা ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলী চকের  প্রায় ৬৩ শতাংশ জমিতে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে ভরাট কাজ চলছে। সেই সাথে বেশ কয়েক দিন ধরে একটি জমি ভরাট করে বাড়ী বানানোর জন্য ইছাপুরা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ  আব্দুল মান্নান ওরফে জমির আলী । সরকারী নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে নির্বিঘ্নে চলছে ফসলী জমি ভরাট কর্মযজ্ঞ ।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কোলা ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলী চকের কৃষি জমিগুলোতে শুকনো মৌসুমে আলু,পাট, সরিষা ও ভুট্টা এবং বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়। ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান এ জমিটি ভরাট করছেন। ফলে তিন  ফসলী জমিগুলো চরম ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ার যুকি রয়েছে। স্থানীয় অনেক কৃষক ক্ষতির সম্মূক্ষিন হওয়া স্বত্বেও  ইউপি সদস্যের কারণে কিছুই বলতে সাহস পায় না। বালুতে আসপাশের জমিসহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অনেকে। মেম্বারের ভয়ে প্রতিবাদ করা থেকেও দূরে থাকতে হচ্ছে তাদের।

এবিষয় ইছাপুরা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন ,আমি শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য কাগজ  জমা দিয়েছি আমাকে তারা শ্রেনী পরিবর্তনের অনুমতি দিয়েছে। 

এবিষয় মুঠোফোনে ড্রেজার মালিক মোঃ রিপন জানান, আমাকে ইউপি সদস্য জমি ভরাটের জন্য বলছে আমি শুধু মাত্র ড্রেজার দিয়ে জমি ভরাট করছি। আমাকে যদি ভরাট করতে না বলে আমি করবো না। আপনি যদি বলে আমি আপনার জমি ও ভরাট করে দিবো।

এবিষয় উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা মোঃ সোলাইমান আলমগীর হোসেন বলেন, আমার নিকট কোন প্রকার শ্রেণী পরিবর্তনের ছাড়পত্রের জন্য কোন কাগজ আসেনি এবং আমার জানা মতে ইউনো বা এসিল্যান্ট স্যারের নিকট ও যায়নি গেলে অবশ্যই আমার নিকট তদন্ত আসতো, সেখানে গিয়ে দেখে উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে ব্যবস্থা  নিবো ।