শেখ ইমরান হোসেন (স্টাফ রিপোর্টার)

শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক পরিবার। কৃষি জমি পানির নীচে থাকায় এ মৌসুমে কৃষকের তেমন কোন কাজ নেই। তাই এলাকার অনেক কৃষক বর্তমানে এ পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন।

এতে কোনো পুঁজির প্রয়োজন না হওয়ায় বিভিন্ন বয়সের ব্যক্তি এ পেশায় অংশ নিয়েছেন। এ বর্ষায় সিরাজদীখান উপজেলার ডুবে যাওয়া বিভিন্ন ইরি, আমন ধান ও পাট ক্ষেতে শাপলা জন্মেছে। এ ছাড়াও এলাকার ইছামতি খালের পানিতেও শাপলা ফুল ফুঁটেছে।

শাপলা সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু করে কার্তিক মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে, কার্তিক মাসে তেমন বেশি পাওয়া যায় না। এলাকার শাপলা সংগ্রহকারীরা ভোর থেকে নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া জমি ও বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করেন এবং শেষ করেন দুপুর নাগাদ।

লতব্দী ইউনিয়নের চর নিমতলার বিল থেকে শাপলা সংগ্রহকারী রবিউল ইসলাম জানান, ‘এ সময় একেক জন ন্যূনতম ৩০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ মোঠা (৬০পিছ শাপলায় ১ মোঠা ধরা হয়) সংগ্রহ করতে পারেন।’

পাইকাররা সংগ্রহকারীর কাছ থেকে শাপলা নিয়ে একত্রিত করেন। সিরাজদীখানের রসুনিয়া, ইমামগঞ্জ ও তালতলায় শাপলার পাইকারী ক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। পাইকাররা এখান থেকে শাপলা কিনে রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ি পাইকারী বাজারে বিক্রি করে থাকেন।

উপজেলার চরনিমতলী গ্রামের পাইকারী ব্যবসায়ী মল্লিক বাবু জানান, ‘শাপলা সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মোঠা শাপলা কেনা হয়। এক মোঠা শাপলার দাম ধরা হয় ২০ টাকা দরে।