শেখ ইমরান হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :

করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশব্যাপী বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন চলছে আজ ‍বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)। রাজধানী ঘুরে কোথাও যানজট আবার কোথাও একদমই ফাঁকা রাস্তা দেখা গেছে।

গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রাস্তায় রিকশা চলাচল বেড়েছে। কিছু সিএনজিচালিত অটোরিকশাও চলতে দেখা গেছে; বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়িও।

রাজধানীজুড়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলেই গুণতে হচ্ছে জরিমানা। এদিকে রাজধানীবাসীর জরুরি প্রয়োজনে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে ‘মুভমেন্ট পাস’। যারা পাস দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তাদেরকে জরিমানা করে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কারা বাইরে বের হতে পারবেন, কারা পারবেন না, এ নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির ঘটনাও ঘটছে। পুলিশ এমন অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, যারা জরুরি সেবার আওতায় পড়েছেন।

পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো সেটি জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। ১৮ শ্রেণীর মানুষের চলাচলে মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র দেখালে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারবেন।

চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত যারা
১. ডাক্তার
২. নার্স
৩. মেডিকেল স্টাফ
৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ
৫. ব্যাংকার
৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ
৭. সাংবাদিক
৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান
৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী
১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী
১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী
১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা
১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা
১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
১৫. ফায়ার সার্ভিস
১৬. ডাকসেবা
১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা
১৮. বন্দর–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা

চেকপোস্টে যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্রিফিং করার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।