স্টাফ রিপোর্টার

সামাজিক নানা কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও গরীর অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে সার্বিক সাহায্য সহযোগী করে মানব সেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা হুমায়ুন কবীর সাগর। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন কমিশন মুন্সিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতির দায়ীত্ব পালন করছেন। সমাজে হতদরিদ্রদের চাইতে বিত্তবানদের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে বেশী হলেও বিত্তবানদের বড় একটা অংশ গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর মনমানসিকতা লক্ষ্য করা যায় না। অপরদিকে মানুষ হিসেবে অন্য একটি মানুষের পাশে দাড়ানো মহৎ কাজ হলেও সমাজের অনেক বিত্তবানরা গরীব অসহায় মানুষকে ঝামেলা মনে করে তাদেরকে এড়িয়ে চলাকেই পছন্দ করেন। তবে হুমায়ুন কবীর সাগর এর পুরোটাই ব্যতিক্রম।
তিনি সমাজের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়ে তাদের সাহায্য সহযোগীতা করতে বেশী পছন্দ করেন। “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” এমন চিন্তাধারা থেকে তিনি জণসেবা মূলক বিভিন্ন কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। জণসেবামূলক কাজের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজেও তার অংশিদারিত্ব রয়েছে। করোনা মহামারীর সংকটাপন্ন সময়সহ বছর জুড়েই তার মানবিক সাহায্য সহযোগীতা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে প্রচন্ড শীতের এ মৌসূমে তিনি সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্ব-শরীরের হাজির হয়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে চলেছেন। হুমায়ুন কবীর সাগরের সামাজিক ও জণসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম দেখে সমাজের অনেক বিত্তবান মানুষ অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। উল্লেখ্য, হুমায়ুন কবীর সাগর দীর্ঘদিন সুদুর আমেরিকার নিউইয়র্কে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি জণসেবামূলক কর্মকান্ডে নিয়োজিত করেছেন। তার জণসেবামূলক কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় লোকজন তাকে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত করেছেন। বর্তমানে তিনি চন্দনধূল হাজী আঃ হাই নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সাধারন সম্পাদক, এএমসিবি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি,লালবাড়ি বাইতুল আল ফালাহ জামে মসজিদের সভাপতি, ব্রাহ্মণখোলা মাদরবাড়ি জামে মসজিদের সভাপতির দায়ীত্বে রয়েছেন।

হুমায়ুন কবীর সাগরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার কোনো কিছুর আশা বা প্রয়োজনে নেই, শুধু মানুষের পাশে থাকতে চাই, মানুষের ভালোবাসা নিয়েই আমি পথ চলতে চাই। অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমার জীবনের আদর্শ ও লক্ষ্য। জীবনের একমাত্র কামনা সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা। সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করবো- এটাই আমার আগামী দিনের পথ চলার অঙ্গীকার। আমি চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ অপর আরেকজন মানুষের প্রতি সাহায্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিক। তাহলেই সমাজ থেকে দারিদ্রতা চিরতরে মুক্তি পাবে।